৩১শে আগস্ট, ২০২৫

১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২

৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭

রবিবার

Shilpo Bangla Logo
FacebookYouTubeTelegram

সর্বশেষ খবর

LATEST NEWS

📰জাকসু নির্বাচন: ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নামে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা

সম্পূর্ণ নিউজ

সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাপকহারে বেড়েছে শব্দ দূষণ, যেনো এইখানে আইন অকার্যকর

প্রতীকী ছবি

সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাপকহারে বেড়েছে শব্দ দূষণ, যেনো এইখানে আইন অকার্যকর

আশুলিয়া প্রতিনিধি,প্রকাশ: ২৩ জুলাই, ২০২৫ এ ১৫:০০

ঢাকার উপকণ্ঠ আশুলিয়া এলাকায় সম্প্রতি মাইকিং প্রচারণার ব্যাপক ব্যবহার স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক প্রচার, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, হাটবাজারের ডাক, হাসপাতাল ও ডাক্তার বসার প্রচারণা, ভর্তি চলছে বিজ্ঞাপন, গরু-মহিষ জবাইয়ের প্রচার, সব মিলিয়ে মাইকিং যেন পরিণত হয়েছে দৈনন্দিন এক অতিষ্ঠ শব্দসন্ত্রাসে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের মাইকিংয়ের কারণে বয়স্ক, অসুস্থ এবং পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছে। এমনকি অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারছে না। বেসরকারি বিভিন্ন কোচিং সেন্টার, গানের অনুষ্ঠান, মাহফিল, অথবা রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের নামে প্রায়ই শব্দের মাত্রা সহ্যসীমার বাইরে চলে যায়।

 

মহাসড়ক সংলগ্ন বাজারগুলোতে প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন পণ্য ও সেবার সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মাইকিংয়ে নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শব্দ দূষণ চলছে। 

 

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, মাইক ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং নির্ধারিত সময়ের বাইরে মাইকিং বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন। পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর পরামর্শও দিয়েছেন অনেকে।

 


আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন আইটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের স্কুলের পাশের রাস্তায় প্রতিদিন কোনো না কোনো মাইক বাজে। ক্লাস নেয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ছাত্রছাত্রীরা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। এ ধরনের মাইকিং প্রচারণা বন্ধ করা উচিৎ। এটা এক প্রকার শব্দ দূষণও।'


স্থানীয় প্রশাসন বলছে, অনুমতি ছাড়া মাইক ব্যবহার করা অবৈধ এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনুমতি ছাড়াই অনেকেই মাইক ব্যবহার করে চলেছে। আইন প্রয়োগে তেমন কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় না।

 


বাংলাদেশে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে 'নিয়ন্ত্রণ (শব্দদূষণ) বিধিমালা, ২০০৬ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলা সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতের বেলা ৪৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দ করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে এসব মানদণ্ড কার্যত উপেক্ষিত।


বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অ্যাডভোকেট মোঃ আকতারুল ইসলাম বলেন, 'বাংলাদেশে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী, আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস এলাকা সংলগ্ন স্থানে অনুমতি ছাড়া মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব আইন অমান্য করলে জরিমানা বা শাস্তির বিধান রয়েছে।' 


তিনি আরও বলেন, 'যদিও আইন আছে, কিন্তু তা প্রয়োগে গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি জনগণের মধ্যেও সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।'

 

 

চিকিৎসকেরা বলছেন, মানুষের শ্রবণের জন্য শব্দের ৪৫ ডেসিবেল হচ্ছে সহনীয় মাত্রা। তবে সেটা ৭০ ডেসিবেল অতিক্রম করলে তা ক্ষতিকর। পৌর শহরে যে হারে প্রতিনিয়ত মাইকিং করা হয়, এর ফলে অনেক সময় শব্দের মাত্রা ৭০ ডেসিবেলের কাছাকাছি চলে যায়। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর। 

 

ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের কনসালটেন্ট মোহসেনা খানম বলেন, 'আমাদের কথা বলার সময় শব্দের স্বাভাবিক মাত্রা থাকে ২৫ ডেসিবল। সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৭০ ডেসিবল পর্যন্ত শব্দের মাত্রা আমাদের কান সহ্য করতে পারে। সেক্ষেত্রে মাইক ও লাউড স্পিকারের শব্দের মাত্রা ১০০ ডেসিবলের বেশি। এই মাত্রা কানের মারাত্মক ক্ষতি করে। যাকে বলা হয় হিয়ারিং লস বা কানে শোনার ক্ষমতা হারানো। এ ধরনের ক্ষতি আর কোনোভাবেই সারানো সম্ভব হয় না।'

 

চট্টগ্রামের শেভরন হাসপাতালের নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেন, ‘শব্দদূষণের ক্ষতিটা বেশি। নির্বাচনসহ বিভিন্ন উৎসবের সময় শব্দদূষণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। শব্দদূষণে শ্রবণশক্তির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, ক্ষতি হয় মস্তিষ্কের, হার্টেরও। শব্দ মাত্রা ছাড়ালে শুধু অসুস্থতা নয় মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’  

 

আশি-নব্বইয়ের দশকের দিকে নির্বাচনে মাইকিংয়ের যে চল ছিল, বিগত এক দশকের নির্বাচনী সংস্কৃতির কারণে এখন আর তেমনটা নেই বলে জানিয়েছেন অনেক মাইক সার্ভিস ও ব্যবসায়ীরা। 

 

 

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, ‘মাইক ব্যবহার আসলে কমেনি। মাইক তার ধরনটি বদলে নিয়েছে। মাইকের বদলে এখন ব্যবহার হয় সাউন্ডবক্স, অ্যমপ্লিফায়ার ও হর্ন। মাইক মূলত একটি হর্ন। হ্যান্ডমাইকের বদৌলতে অলিতে গলিতেও ছড়িয়েছে শব্দদূষণ।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের সময়ে শব্দদূষণের মাত্রা সহনীয় পর্যায় থেকে অনেক বেড়ে যায়। এবং তা এখনও কমেনি। সহনীয় মাত্রাটা ছাড়ালেইি এর প্রভাব পড়ে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। আপনি এখন দেখবেন, বেশিরভাগ ষাটোর্ধ্ব মানুষ কানে হিয়ারিং রিং পরে। তাই মাইকের ব্যবহার নিয়ে নস্টালজিক হওয়ার সুযোগ নেই। ’

 

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বক্কর সরকার বলেন, 'অতিরিক্ত শব্দদূষণ রোধে আমরা কাজ করছি। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' 

 

 

প্রঙ্গত, শব্দ দূষণের (Noise Pollution) গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে ১৯৯৭ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে শহরকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে- নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা, মিশ্র এলাকা, শিল্প এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা। এসব এলাকায় দিন ও রাত ভেদে শব্দের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবাসিক এলাকায় ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ডেসিবেল, শিল্প এলাকায় ৭৫ ডেসিবেল, নীরব এলাকায় ৪৫ ডেসিবেল, আবাসিক কাম বাণিজ্যিক এলাকায় ৬০ ডেসিবেল, রাতের জন্য সর্বত্র ১০ ডেসিবেলের কম। এই আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকার নির্ধারিত কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকাকে নীরব এলাকা চিহ্নিত করা হয়। আইনানুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকার নির্ধারিত কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব জায়গায় মোটরগাড়ির হর্ন বাজানো ও মাইকিং করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


এরপর ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শব্দ দূষণ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এই নীতিমালা অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ শব্দসীমা হলো ৫৫ ডেসিবেল এবং রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ৪৫ ডেসিবেল। একইভাবে নীরব এলাকার জন্য এ শব্দসীমা যথাক্রমে সর্বোচ্চ ৫০ ও ৪০ ডেসিবেল, মিশ্র এলাকায় ৬০ ও ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ও ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় ৭৫ ও ৭০ ডেসিবেল সর্বোচ্চ শব্দসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এর ওপরে শব্দ সৃষ্টি করাকে দ-নীয় অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। 

 

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় বলা আছে, আবাসিক এলাকার সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে নির্মাণকাজের ইট বা পাথর ভাঙার যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহনে প্রয়োজনে উচ্চ শব্দে হর্ন ও মাইক বাজানো যাবে না। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা যবে না। এই বিধির আওতায় স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের চতুর্দিকে ১০০ গজের ভেতরে কোনো প্রকার হর্ন বাজানো যাবে না। আরও বলা হয়েছে, কোনো উৎসব, সামাজিক বা রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকার, এমপ্লিফায়ার বা কোনো যান্ত্রিক কৌশল ব্যবহার করতে হলে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি লাগবে। এসব কার্যক্রম সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টার বেশি হবে না। পাশাপাশি রাত ১০টার পর কোনোভাবেই শব্দ দূষণকারী যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

 

WHO আবাসিক এলাকায় ৫৫ ডেসিবেল শিল্প এলাকায় ৭০ ডেসিবেলের নিচে আওয়াজ রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকে। সেখানে ঢাকা শহরের হাসপাতালগুলোর সামনে গড় আওয়াজের পরিমাণ ৮১.৭ ডেসিবেল। Frontiers ২০২২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকার গড় আওয়াজের পরিমাণ ১১৯ ডেসিবেল। ২০২২ সালের জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি থেকে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সারাবিশ্বে শব্দদূষণে শীর্ষে ঢাকা, চতুর্থ রাজশাহী।

 

শব্দদূষণের ফলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের ১১.৮ ভাগ সদস্য কানের সমস্যায় ভোগেন। শব্দদূষণের ফলে সবচেয়ে সংকটপূর্ণ অবস্থায় থাকেন গর্ভবতী মা ও ছোট শিশুরা। ৩ বছরের ছোট বাচ্চার কাছে ১০০ ডেসিবেলের হর্ন বাজালে তার আজীবনের জন্য শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত শব্দদূষণের ফলে মৃত্যুও হতে পারে। ২০২২ এর ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজির উচ্চ আওয়াজে এক নবজাতকের মৃত্যু হয় ঢাকা নগরীতে।

 

WHO-এর মতে, দূষণ জনিত শরীর খারাপের কারণগুলোর মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে বায়ুদূষণ, দুই নম্বরেই শব্দদূষণ। শব্দদূষণের কারণে প্রতিবছর হার্টের নতুন রোগী তৈরি হচ্ছে ৪৮ হাজার। করোনায় পুরো বিশ্বে মারা গেছে ৬.৩১ মিলিয়ন মানুষ, সে জায়গায় শব্দদূষণের ফলে প্রতিবছর আক্রান্ত হচ্ছে ২২ মিলিয়ন মানুষ।

 

আজ অতিরিক্ত মাইকিং শুধু শব্দদূষণই নয়, মানুষের মানসিক শান্তির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময় এসেছে নিয়মশৃঙ্খলার মাধ্যমে এ অনিয়ন্ত্রিত প্রচারপদ্ধতিকে রুদ্ধ করার।

সাভারআশুলিয়ামাইকিংশব্দ দূষণনিয়ন্ত্রণ (শব্দদূষণ) বিধিমালাস্বাস্থ্যমানসিক স্বাস্থ্যমাইকপরিবেশপরিবেশ দূষণশব্দ
সাম্প্রতিক খবর
আশুলিয়ায় ছিনতাই ও চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় ছিনতাই ও চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

আশুলিয়ায় বিপুল জাল নোটসহ আটক ২

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় বিপুল জাল নোটসহ আটক ২

আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রেফতার

আশুলিয়া

আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রেফতার

আশুলিয়ায় ১৬ বছর আগে শান্তা হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় ১৬ বছর আগে শান্তা হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

আশুলিয়ার বিশমাইলে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গাড়িচালক নিহত

আশুলিয়া

আশুলিয়ার বিশমাইলে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গাড়িচালক নিহত

আশুলিয়ায় বৃদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় বৃদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ

আশুলিয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল শিকদার গ্রেফতার

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল শিকদার গ্রেফতার

আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ভূয়া ডিবি আটক

আশুলিয়া

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ভূয়া ডিবি আটক