সর্বশেষ খবর
LATEST NEWS
📰জাকসুতে মেঘ-লিমনের নেতৃত্বে আরেকটি স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা
সম্পূর্ণ নিউজ
স্টারলিংক স্টেশন। ছবি : সংগৃহীত
ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে
বিশ্বজুড়ে স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা হিসেবে ‘স্টারলিংক’ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এরোস্পেস কোম্পানি স্পেসএক্স এটিকে অপারেট করে। এ মুহূর্তে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়া-অস্ট্রেলিয়া-আফ্রিকা জুড়ে বিশ্বের শতাধিক দেশে স্টারলিংকের পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে স্টারলিংকের সেবা কার্যক্রম শুরুর পর এটি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে মানুষ। চলুন জেনে নেই স্টারলিংকের পরিষেবা নিয়ে খুঁটিনাটি।
অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে- স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। স্টারলিংক রেসিডেন্সের মাসিক খরচ ৬ হাজার টাকা, রেসিডেন্স লাইটের খরচ ৪ হাজার ২০০ টাকা। সেটাপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। স্টারলিংকের একটি রাউটারে একসঙ্গে ২৫৪টি ডিভাইস যুক্ত হতে পারে। অবশ্য কোম্পানির পক্ষ থেকে ৫০টির কম ডিভাইস ব্যবহারের পরামর্শ রয়েছে।
বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।
ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ কীভাবে পাবেন স্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংক সংযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল।
এটি সেটআপ করা অত্যন্ত সহজ। প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটির ফাঁকা জায়গায় আকাশের দিকে মুখে করে স্থাপন করতে হবে।
তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কীভাবে স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন। বাংলাদেশে এখনো স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি।
এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক পেতে হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (starlink.com) গিয়ে আগ্রহী গ্রাহক হিসেবে নিবন্ধন করতে হবে। সেখানে ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামের দুটি অপশন পাবেন।
রেসিডেনশিয়ালে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের স্থান নির্বাচন করতে হবে। তবে সরকার ‘রোম’, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ সেবার অনুমোদন এখনো দেয়নি। এখানে প্রথমে আপনার ঠিকানা দিয়ে সেখানে এই সেবা পৌঁছাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এরপর চেকআউট অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরে ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি সার্ভিস প্ল্যান বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরো সেট গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে।
স্টারলিংকে ৩০ দিনের একটি ট্রায়াল অপশনও রয়েছে। পরবর্তীতে গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে পুরো টাকা রিফান্ড নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশে এই সুযোগ এখনই আসছে কি না তা জানতে আর একটু সময় লাগতে পারে।
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়ায় কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে ইউটিউব
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
মোবাইল হ্যাং হলে করণীয় : জরুরি সমাধান ও স্থায়ী প্রতিকার
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
১৮ বছর চেষ্টার পর গর্ভবতী হলেন নারী, সাহায্য করল এআই
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
দেশে প্রথমবারের মতো গুগল পে চালু হচ্ছে আজ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে