সর্বশেষ খবর
LATEST NEWS
📰জাকসু নির্বাচন: ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নামে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা
সম্পূর্ণ নিউজ
ফাইল ছবি
বাহরাইনে অসুস্থতার জন্যে টেস্ট করতে গিয়ে জানলেন স্ত্রীর গর্ভের ৫ সন্তানের বাবা তিনি নন
৪০ বছর ধরে যাদের বাবা হিসেবে লালনপালন করেছেন, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, তাদের কারোরই জৈবিক বাবা নন তিনি। সম্প্রতি বাহরাইনে এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন উর্দু - এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৪০ বছর আগে এক নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ওই ব্যক্তি। দাম্পত্য জীবনও চলছিল স্বাভাবিক নিয়মেই। একে একে তাদের ঘরে আসে পাঁচ সন্তান। দীর্ঘদিন এই সন্তানদের আদর-স্নেহে বড় করেছেন তিনি, পালন করেছেন বাবার সব দায়িত্ব।
তবে সম্প্রতি এক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তিনি জানতে পারেন, শারীরিকভাবে তিনি সন্তান জন্মদানে অক্ষম। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সন্দেহ দানা বাঁধে তার মনে। এরপর স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া পাঁচ সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করান। ফলাফল হাতে পেয়েই ভেঙে পড়েন তিনি। কারণ তিনি জানতে পারেন, পাঁচ সন্তানের একটিও তার নিজের সন্তান নয়।
এই ঘটনার পর তিনি আইনের শরণাপন্ন হন।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বিষয়টি আদালতে উঠলে বাহরাইনের উচ্চ শরিয়াহ আদালত রায়ে জানান, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ অনুযায়ী ওই ব্যক্তি পাঁচ সন্তানের জৈবিক পিতা নন। রায়ে তার পিতৃত্ব বাতিলযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।
রায়ে আরও বলা হয়, সন্তানদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সরকারি সব নথিপত্র থেকে ওই ব্যক্তির নাম মুছে ফেলা হবে।
বাদীর আইনজীবী ইবতিসাম আল সাবাগ বলেন, ‘৪০ বছর ধরে এই ব্যক্তি বাবার দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। অথচ এখন জানতে পারলেন, এরা তার সন্তানই নয়। এটা নিঃসন্দেহে এক গভীর প্রতারণা।’
পরবর্তীতে পাবলিক প্রসিকিউশনের ফরেনসিক ল্যাব কর্তৃক পরিচালিত ডিএনএ পরীক্ষায় তার এবং শিশুদের মধ্যে কোনও জৈবিক সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে বাদ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়েছে যে যখন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ জৈবিকভাবে অসম্ভব বলে প্রমাণিত হয়, তখন ইসলামি আইনশাস্ত্রের অধীনে পিতৃত্বের অনুমান টিকতে পারে না।
এ প্রসঙ্গে বাদীর আইনজীবী ইবতিসাম আল সাবাগ বলেন, ‘এটি কেবল আইন বিষয় নয়; এটি সত্যেরও বিষয়। যদিও পিতা হিসেবে তিনি যে বছর কাটিয়েছেন, তবে এখন জৈবিক বাস্তবতা এখন নিশ্চিত হয়ে গেছে, এবং এর সাথে আইনি স্পষ্টতাও এসেছে।’
আদালত জেনেটিক অনুসন্ধানগুলিকে ‘পরম আইনি এবং ধর্মীয় কর্তৃত্ব’ বলে মনে করে, যা বিবাহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত পিতৃত্বের পূর্ববর্তী ধারণাগুলিকে অগ্রাহ্য করে।
বৈবাহিক অনুমান, স্বীকৃতি এবং সাক্ষ্যের মাধ্যমে পিতৃত্বকে স্বীকৃতির বিষয়ে আদালত সাধারণত জা’ফরি আইনশাস্ত্রের নীতিগুলির উপর নির্ভর করে, তবে তা কেবল তখনই যখন এগুলি মৌলিক ইসলামি নীতি বা অকাট্য বৈজ্ঞানিক তথ্যের বিরোধিতা করে না।
ফলে আদালত সমস্ত সরকারি নথি থেকে লোকটির নাম মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়, যেখানে তাকে পিতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী শিশুদের আইনি রেকর্ড সংশোধন করার জন্য সরকারি সংস্থাগুলিকে দায়বদ্ধ করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, এটি একজন পুরুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, কেউ আবার এটিকে পুরো একটি পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা হিসেবে দেখছেন।
আন্তর্জাতিক
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে আজ মুসলিম উম্মাহকে রোজা রাখার আহ্বান
আন্তর্জাতিক
গাজায় আরও ৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত, ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ গেল ১৩ জনের
আন্তর্জাতিক
চীনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক
ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় কাজিকি
আন্তর্জাতিক
স্যান্ডউইচে ‘এক্সট্রা’ মেয়োনিজ চেয়ে না পাওয়ায় দোকানে আগুন
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে হতে পারে ৬ সমঝোতা ও চুক্তি
আন্তর্জাতিক
বিয়ের জন্য দেশে ফিরে পরিবারের ২৪ জনের জানাজায় প্রবাসী
আন্তর্জাতিক
নাইজেরিয়ায় ফজর নামাজের সময় মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ২৭
আন্তর্জাতিক
ভারত ও পাকিস্তানে বন্যা-ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন প্রকাশ