সম্পূর্ণ নিউজ

প্রতীকী
আমেরিকানদের টাকায় পুষ্ট হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী!
আন্তর্জাতিকদৈনিক শিল্পবাংলা ডেস্ক |প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৯:২৮ PM
আমেরিকানদের টাকায় পুষ্ট হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী!
এটি কোনো গালগল্প নয়, বরং এক রূঢ় বাস্তবতা। খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাই অজান্তে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন। সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ (DOJ) এবং এফবিআই-এর এক চাঞ্চল্যকর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে কীভাবে উত্তর কোরিয়ার আইটি কর্মীরা ছদ্মবেশে মার্কিন কোম্পানিগুলোতে কাজ করে কোটি কোটি ডলার হাতিয়ে নিচ্ছে।
কীভাবে কাজ করছে এই চক্র?
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, উত্তর কোরিয়ার শত শত দক্ষ আইটি বিশেষজ্ঞ নিজেদের পরিচয় গোপন করে ভুয়া নাম ও ঠিকানায় (অনেক সময় চুরি করা আমেরিকান পরিচয় ব্যবহার করে) রিমোট জবে যোগ দিচ্ছে। চুরি করা পরিচয়: তারা আমেরিকান নাগরিকদের সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর এবং ড্রাইভিন লাইসেন্স ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং সাইট বা সরাসরি কোম্পানিগুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলছে। ল্যাপটপ ফার্ম: অনেক ক্ষেত্রে আমেরিকার ভেতরেই কিছু সহযোগী 'ল্যাপটপ ফার্ম' বসিয়েছে। কোম্পানিগুলো যখন ল্যাপটপ পাঠায়, তখন সেই সহযোগীরা সেগুলো রিসিভ করে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের রিমোট এক্সেস দিয়ে দেয়। ফলে কোম্পানির মনে হয় কর্মীটি আমেরিকার ভেতরেই বসে কাজ করছে।
অর্থ যাচ্ছে কোথায়?
এই আইটি কর্মীরা প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বেতন হিসেবে আয় করছে। এই আয়ের একটি বিশাল অংশ সরাসরি উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের মতে, এটি কেবল অর্থনৈতিক জালিয়াতি নয়, এটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি।
কেন এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না?
১. রিমোট ওয়ার্কের সুযোগ: কোভিড পরবর্তী সময়ে ঘরে বসে কাজ করার (Remote Work) সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই জালিয়াতি বহুগুণ বেড়ে গেছে।
২. দক্ষতা: উত্তর কোরিয়ার এই হ্যাকার বা কর্মীরা আইটি কাজে অত্যন্ত দক্ষ, যার ফলে ইন্টারভিউ বা কোডিং টেস্টে তারা সহজেই টিকে যাচ্ছে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং এফবিআই ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে একাধিক 'পাবলিক অ্যাডভাইজরি' জারি করেছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অসংখ্য মার্কিন কোম্পানি বুঝতে পেরেছে যে তারা আসলে উত্তর কোরিয়ার এজেন্টদের বেতন দিচ্ছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এই কর্মীরা কোম্পানির ডাটাবেজে 'ব্যাকডোর' তৈরি করে রাখছে যাতে ভবিষ্যতে সাইবার হামলা চালানো যায়।
DainikShilpabanglaNorthKoreaITScamUSANationalSecurityCyberFraudRemoteWorkRiskInternationalNewsউত্তরকোরিয়াজালিয়াতিআন্তর্জাতিকসংবাদদৈনিকশিল্পবাংলা
আরও খবর

আবারও হুঙ্কার থালাপতির, বললেন তাকে থামানো যাবে না
২৭ জানু
সাইবেরিয়ার বরফে এআই সাম্রাজ্য: বিশ্ববাজার দখলে রাশিয়ার নতুন চাল!
২৬ জানু
৭২ দেশের সাইবার অপরাধ দমন চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা
২৬ জানু
আমেরিকানদের টাকায় পুষ্ট হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী!
২৬ জানু
গাজা ইস্যুতে ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগে ইসরায়েলের সমর্থন
২২ জানু
