৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

১৯ শা‘বান, ১৪৪৭ যুগ

শনিবার

Shilpo Bangla Logo
FacebookYouTubeTelegram

সর্বশেষ খবর

LATEST NEWS

📰আবারও হুঙ্কার থালাপতির, বললেন তাকে থামানো যাবে না

সম্পূর্ণ নিউজ

এআই বনাম পৃথিবী:প্রযুক্তির নেশায় কি আমরা আমাদের অস্তিত্ব হারাচ্ছি?

প্রতীকী

এআই বনাম পৃথিবী:প্রযুক্তির নেশায় কি আমরা আমাদের অস্তিত্ব হারাচ্ছি?

বিজ্ঞান-প্রযুক্তিদৈনিক শিল্পবাংলা ডেস্ক |প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৯:৩৩ PM

এআই বনাম পৃথিবী:প্রযুক্তির নেশায় কি আমরা আমাদের অস্তিত্ব হারাচ্ছি?

 

পরিবেশবাদীরা যখন পৃথিবীকে বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছেন, ঠিক তখনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) জগতের প্রধান পুরুষ স্যাম অল্টম্যান এক মহাপ্রলয়ংকারী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ২০৩৩ সালের মধ্যে ওপেনএআই এমন এক অবকাঠামো গড়ে তুলতে চায়, যার বিদ্যুৎ চাহিদা হবে প্রায় ২৫০ গিগাওয়াট। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ দিয়ে ভারতের মতো ১৫০ কোটি জনসংখ্যার একটি বিশাল দেশের পুরো বছরের চাহিদা মেটানো সম্ভব!
 
পরিসংখ্যান যখন ভয়ের কারণ:
২০২৫ সালের শেষভাগে ফাঁস হওয়া ওপেনএআই-এর অভ্যন্তরীণ নথিপত্র এবং সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী:
* বিদ্যুৎ চাহিদা: ২৫০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় ২৫০টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমান সক্ষমতা প্রয়োজন। এটি বর্তমান আমেরিকার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ।
* কার্বন নিঃসরণ: বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবকাঠামো চালু হলে বছরে যে পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হবে, তা বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি তেল কোম্পানি 'এক্সনমোবিল'-এর নিঃসরণের দ্বিগুণ হতে পারে।
* জলের অপচয়: এআই সার্ভারগুলোকে ঠান্ডা রাখতে যে পরিমাণ জল ব্যবহার করা হবে, তা ডেনমার্কের মতো একটি দেশের মোট জল ব্যবহারের ছয় গুণ।
 
কেন এই পাগলামি?
স্যাম অল্টম্যানের মতে, এআই-এর সক্ষমতা বাড়াতে হলে বিশাল প্রসেসিং পাওয়ার বা জিপিইউ (GPU) প্রয়োজন। ২০৩৩ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি নতুন জিপিইউ কিনতে হবে কোম্পানিটিকে। অল্টম্যান একে বলছেন "ভবিষ্যতের নতুন পরিকাঠামো", কিন্তু পরিবেশবাদীদের মতে এটি একটি "ইকোলজিক্যাল সুইসাইড" বা পরিবেশগত আত্মহত্যা।
 
ভারতের সাথে তুলনা কেন?
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA)-এর হিসাব মতে, ভারতের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের বর্তমান মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার ১৭০০-১৮০০ টেরাওয়াট-ঘণ্টা। অথচ অল্টম্যানের একটিমাত্র কোম্পানির এই ২৫০ গিগাওয়াট অবকাঠামো সারা বছর চালু রাখলে তা প্রায় ২১৯০ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ গিলে খাবে। অর্থাৎ একটি কোম্পানি একটি মহাদেশীয় দেশের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও পরিবেশ ধ্বংসকারী হয়ে উঠতে যাচ্ছে।
OpenAISamAltmanAIRevolutionClimateCrisisEnergyCrisisTechNewsEnvironmentalImpactArtificialIntelligenceDainikShilpobanglaদৈনিক_শিল্পবাংলাshilpobangla
এআই বনাম পৃথিবী:প্রযুক্তির নেশায় কি আমরা আমাদের অস্তিত্ব হারাচ্ছি? | দৈনিক শিল্পবাংলা