শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

৯ কার্তিক, ১৪৩৩◆১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
logo
সব বিভাগ

দৈনিক শিল্পবাংলা

জাতীয়

ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদকের 'দাঁত ফেলে দেওয়ার' হুমকির অভিযোগ

দৈনিক শিল্পবাংলা
দৈনিক শিল্পবাংলা
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ এ ৯:৩৯ PM
ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদকের 'দাঁত ফেলে দেওয়ার' হুমকির অভিযোগ

ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদকের 'দাঁত ফেলে দেওয়ার' হুমকির অভিযোগ

“

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নেতাকে ‘দাঁত না রাখার’ হুমকির অভিযোগ তুলেছেন মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন।

মো. আলাউদ্দিন নামে এক ছাত্রদল নেতা ও তার সহযোগীরা ‘দাঁত না রাখার’ হুমকি দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। এ ছাড়া হেনস্তা ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ছাত্রদল নেতা মারতে উদ্যত হন বলেও দাবি করেন মুসাদ্দিক।বুধবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, বুধবার বেলা ১টা ২৫ মিনিট থেকে ১টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে কলা ভবনের পেছনের ফটকের সামনে দিয়ে তিনি ক্লাসে যাচ্ছিলেন, তখন আলাউদ্দিনসহ আরও কয়েকজন তার পথ রোধ করেন।

পথরোধ করে দাঁড়ালে আমি জিজ্ঞেস করি, কী হইছে ভাই? আপনি কে? আমি উনাকে চিনতে পারছিলাম না। সে আমাকে প্রথমেই বলে যে তুই আমাকে চিনতে পারতেছিস না? অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে; তুই দাঁতাল, তোর দাঁত থাকবে না।মুসাদ্দিক আরও অভিযোগ করেন, আলাউদ্দিন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে একপর্যায়ে মারতে উদ্যত হন। এসময় সঙ্গীরা তাকে সরিয়ে নিলেও বারবার তেড়ে এসে হামলার চেষ্টা করেন এবং যাওয়ার সময় হুমকি দেন।

এবিষয়ে ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘আমি মুসাদ্দিককে বলেছি, তুমি আমার নামে যে মিথ্যা কথা লিখেছ, আমিও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র। আমার নামে যে ভুয়া কথাগুলা, মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা কেন ছড়িয়েছে, এ কথার জবাব চেয়েছি শুধু তার কাছে।’ এই জবাব চাওয়া কোনো অন্যায় কি না, সে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলার কারণে প্রথমবার পড়াশোনা করতে না পারায় তিনি ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃর্ভর্তি হন। তারপর ২০২৩-২৪ সেশনে দ্বিতীয়বারের মতো আবার ভর্তি হন।

সর্বশেষ খবর

আরও দেখুন
ধর্মীয় অনুভূতি ও সহাবস্থানের প্রশ্নে কেন আজও প্রাসঙ্গিক লালনের মানবদর্শন?
1

ধর্মীয় অনুভূতি ও সহাবস্থানের প্রশ্নে কেন আজও প্রাসঙ্গিক লালনের মানবদর্শন?

বিশেষ ফিচার | দৈনিক শিল্পবাংলা ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ: বৈষম্য, যুদ্ধ ও জনসেবার সংকটে রাস্তায় মানুষ
2

বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ: বৈষম্য, যুদ্ধ ও জনসেবার সংকটে রাস্তায় মানুষ

বিশ্বসংবাদ | দৈনিক শিল্পবাংলা | ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? ঐতিহাসিক দলিলে ভিন্ন তথ্য
3

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? ঐতিহাসিক দলিলে ভিন্ন তথ্য

১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতার গড়ের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী সভায় তাঁর সভাপতিত্ব করার অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে ঐতিহাসিক দলিল ও গবেষণায় এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। প্রশান্তকুমার পালের রবিজীবনী এবং রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্রের প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, অসুস্থতার কারণে ১৯১২ সালের ২৪ মার্চ তিনি কলকাতা ছেড়ে শিলাইদহে যান। ২৮ মার্চ শিলাইদহ থেকে জগদানন্দ রায়কে লেখা তাঁর চিঠির তথ্যও পাওয়া যায়।