মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

৫ কার্তিক, ১৪৩৩◆১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
logo
সব বিভাগ

দৈনিক শিল্পবাংলা

শিল্প ও সংস্কৃতি

বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে পারলেন না৷ ডাকসু নেতা মোসাদ্দেক

দৈনিক শিল্পবাংলা
দৈনিক শিল্পবাংলা
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ এ ৩:১৯ PM
বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে পারলেন না৷ ডাকসু নেতা মোসাদ্দেক

বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে পারলেন না৷ ডাকসু নেতা মোসাদ্দেক

“

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। পহেলা বৈশাখে এক আলাপচারিতায় তাকে বাংলা ১২ মাসের নাম জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ধারাবাহিকভাবে ও পূর্ণাঙ্গভাবে মাসের নামগুলো বলতে ব্যর্থ হন।

১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে মোসাদ্দেক বলেন, ‘আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, অগ্রহায়ণ, ভাদ্র... হয়ে গেছে? হয়েছে? ফাল্গুন, ১২টা হয়েছে?’

তার এই অসংলগ্ন উত্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একটি ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বাংলা মাসের নাম বলতে না পারা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

আলোচনা চলাকালে মোসাদ্দেক তোষামোদ বা ‘তৈল’ দেওয়া নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলা সাহিত্যের বিজ্ঞ পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘তৈল’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, মানুষ তৈলশিল্পকে উন্নতির এমন শিখরে নিয়ে গেছে যা শাস্ত্রী নিজেও লিখে যেতে পারেননি।

তিনি মনে করেন, সমাজের কিছু মানুষ ক্ষমতার তোষণ বা চাটুকারিতার মাধ্যমে স্বার্থ হাসিল করতে চায়, হোক সেই ক্ষমতা ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরাচারী।

পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বলেন, এটি কখনো কৃষকের চোখের জল, আবার কখনো কৃষকের মুখের হাসি। তবে বাঙালির অন্যতম প্রধান উৎসব পহেলা বৈশাখ নিয়ে কথা বললেও খোদ বাংলা মাসগুলোর নাম সঠিকভাবে বলতে না পারায় তার সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি অনলাইনে বেশ চর্চিত হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর

আরও দেখুন
ধর্মীয় অনুভূতি ও সহাবস্থানের প্রশ্নে কেন আজও প্রাসঙ্গিক লালনের মানবদর্শন?
1

ধর্মীয় অনুভূতি ও সহাবস্থানের প্রশ্নে কেন আজও প্রাসঙ্গিক লালনের মানবদর্শন?

বিশেষ ফিচার | দৈনিক শিল্পবাংলা ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ: বৈষম্য, যুদ্ধ ও জনসেবার সংকটে রাস্তায় মানুষ
2

বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ: বৈষম্য, যুদ্ধ ও জনসেবার সংকটে রাস্তায় মানুষ

বিশ্বসংবাদ | দৈনিক শিল্পবাংলা | ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? ঐতিহাসিক দলিলে ভিন্ন তথ্য
3

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? ঐতিহাসিক দলিলে ভিন্ন তথ্য

১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতার গড়ের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী সভায় তাঁর সভাপতিত্ব করার অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে ঐতিহাসিক দলিল ও গবেষণায় এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। প্রশান্তকুমার পালের রবিজীবনী এবং রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্রের প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, অসুস্থতার কারণে ১৯১২ সালের ২৪ মার্চ তিনি কলকাতা ছেড়ে শিলাইদহে যান। ২৮ মার্চ শিলাইদহ থেকে জগদানন্দ রায়কে লেখা তাঁর চিঠির তথ্যও পাওয়া যায়।