ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে জাকসু নেতৃবৃন্দ, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে জাকসু নেতারা সাত দফা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর মধ্যে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে মামলা দায়ের এবং তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বক্ষণিক পুলিশের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ রয়েছে। উপাচার্য আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধী গ্রেপ্তার হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে সীমানাপ্রাচীরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হবে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক–সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট থেকে প্রান্তিক গেট পর্যন্ত পুলিশের ৫টি চেকপোষ্ট স্থাপন করা হবে এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



